নেপালে বন্যা: ১০ দিন পর জীবিত উদ্ধার চীনা কর্মী ও নেপালি নারী

পড়তে ১ মিনিট

ধ্বংসস্তূপ ও গভীর সুড়ঙ্গ থেকে এক নেপালী নারী ও এক চীনা নাগরিককে জীবিত উদ্ধার | ছবি : সংগৃহীত

নেপালে হিমবাহ ধসে সৃষ্ট ভয়াবহ বন্যার ১০ দিন পর ধ্বংসস্তূপ ও গভীর সুড়ঙ্গ থেকে এক নেপালী নারী ও এক চীনা নাগরিককে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে।

শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) নুয়াকোট জেলার বেত্রাবতী এলাকায় ধসে পড়া একটি চারতলা বাড়ির ওপরের তলা থেকে ৬৪ বছর বয়সী চণ্ডিকা কুমারী শ্রেষ্ঠাকে উদ্ধার করে পুলিশ। উদ্ধারের সময় তিনি অচেতন ছিলেন।

নেপালের সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর (এপিএফ) ইনস্পেক্টর সুমন কুমার বিকের নেতৃত্বে নয় সদস্যের একটি দল উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করে। পরে চণ্ডিকা শ্রেষ্ঠাকে হেলিকপ্টারে করে প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য ত্রিশূলীতে নেপালি সেনাবাহিনীর মৈথিলী ব্যারাকে নেওয়া হয়। প্রয়োজন হলে তাঁকে উন্নত চিকিৎসার জন্য কাঠমান্ডুতে নেওয়ার কথা জানিয়েছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়।

এদিকে আপার ত্রিশূলী-১ জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের একটি সুড়ঙ্গ থেকে ১০ দিন পর এক চীনা নাগরিককেও জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে।

নেপালের সেনাবাহিনী জানিয়েছে, লুহাইতাও নামের ওই ব্যক্তিকে সুড়ঙ্গের প্রায় ২২৫ মিটার ভেতরে খুঁজে পান নেপালি ও আন্তর্জাতিক উদ্ধারকারীরা।

সেনাবাহিনীর মুখপাত্র রাজারাম বাসনেত জানান, যৌথ উদ্ধার অভিযানে সুড়ঙ্গের গভীরে লুহাইতাওয়ের সন্ধান পাওয়ার পর তাঁকে জীবিত অবস্থায় বের করে আনা হয়। বর্তমানে তাঁর শারীরিক পরীক্ষা ও চিকিৎসা চলছে।

জলবিদ্যুৎ প্রকল্পটিতে টানা ১০০ ঘণ্টা ধরে উদ্ধার অভিযান চলছে। এর আগে শুক্রবার সুড়ঙ্গের প্রায় ৪০ মিটার ভেতর থেকে সঞ্জয় শাহ ও কবির মহাজন নামে দুই নেপালি শ্রমিককে জীবিত উদ্ধার করা হয়।

একই স্থানে আরও মানুষ আটকে থাকতে পারেন—এমন আশায় উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে। একের পর এক জীবিত উদ্ধারের ঘটনায় ধ্বংসস্তূপ ও সুড়ঙ্গের ভেতরে থাকা অন্যদেরও জীবিত উদ্ধারের আশা করছেন উদ্ধারকারীরা।


এই নিবন্ধটি শেয়ার করুন