বৈশ্বিক লক্ষ্য নিয়ে আঙ্কারায় আল-উম্মাহ
লেখক:
ইউনুস এমরে ইনস্টিটিউটের সভাপতি অধ্যাপক ড. সেলিম আরগুন এবং তুরস্কের বিশিষ্ট পণ্ডিত অধ্যাপক ড. ইয়াসিন আকতাইয়ের সঙ্গে মোহাম্মদ জাকির হোসেনের বৈঠক
আল-উম্মাহ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ও আল-উম্মাহর প্রধান সম্পাদক মোহাম্মদ জাকির হোসেন তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারা সফর করেছেন। এ সময় তিনি ফাউন্ডেশনের বৈশ্বিক বহুভাষিক গণমাধ্যম প্ল্যাটফর্ম গড়ে তোলার পরিকল্পনা এগিয়ে নিতে দেশটির বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে বৈঠক করেন। প্রস্তাবিত এই প্ল্যাটফর্মে সাংবাদিকতা, বুদ্ধিবৃত্তিক আদান-প্রদান, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য এবং বিশ্বজুড়ে মুসলিম সম্প্রদায়কে প্রভাবিত করা বিভিন্ন বিষয় গুরুত্ব পাবে।
ইউনুস এমরে ইনস্টিটিউটের সভাপতি অধ্যাপক ড. সেলিম আরগুন এবং তুরস্কের বিশিষ্ট পণ্ডিত, লেখক ও বুদ্ধিজীবী অধ্যাপক ড. ইয়াসিন আকতাইয়ের সঙ্গে এসব বৈঠকে সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য, মুসলিম সমাজের সমসাময়িক চ্যালেঞ্জ, ফাউন্ডেশনের আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম উদ্যোগের বিকাশ এবং বাংলাদেশ ও তুরস্কের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ভবিষ্যৎ সহযোগিতার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়।
ইউনুস এমরে ইনস্টিটিউট সফর
আঙ্কারায় ইউনুস এমরে ইনস্টিটিউটের সদর দপ্তরে অধ্যাপক ড. সেলিম আরগুনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ জাকির হোসেন। বৈঠকে ইসলামী ও মুসলিম সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণ, ঐতিহাসিক সচেতনতা বৃদ্ধি, বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশ এবং ইউনুস এমরে ইনস্টিটিউট ও আল-উম্মাহ ফাউন্ডেশনের মধ্যে সহযোগিতার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়।

ইউনুস এমরে ইনস্টিটিউটের সভাপতি অধ্যাপক ড. সেলিম আরগুনের সঙ্গে মোহাম্মদ জাকির হোসেনের বৈঠক
জাকির হোসেন অধ্যাপক আরগুনকে ফাউন্ডেশনের ওয়েবসাইট ও সাময়িকী সম্পর্কে অবহিত করেন। পাশাপাশি বিশ্বজুড়ে মুসলিম সম্প্রদায়কে প্রভাবিত করা বিভিন্ন বিষয়ে সাংবাদিকতা, জ্ঞান বিনিময় এবং তথ্যনির্ভর আলোচনার প্রসারে ফাউন্ডেশনের লক্ষ্য ও পরিকল্পনা তুলে ধরেন।
অধ্যাপক আরগুন এ উদ্যোগের প্রশংসা করেন এবং বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চায় এর সম্ভাব্য অবদানের কথা তুলে ধরেন। বৈঠকে উভয় পক্ষই পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ক্ষেত্রে ভবিষ্যৎ সহযোগিতার সম্ভাবনা খতিয়ে দেখেন।
এ সময় জাকির হোসেন অধ্যাপক আরগুনকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান। তিনি আন্তরিকতার সঙ্গে আমন্ত্রণ গ্রহণ করেন এবং সুবিধাজনক সময়ে বাংলাদেশ সফরের আগ্রহ প্রকাশ করেন।
সাংস্কৃতিক বোঝাপড়ার সেতুবন্ধন
ইউনুস এমরে ইনস্টিটিউট তুরস্কের আন্তর্জাতিক সাংস্কৃতিক যোগাযোগের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান। দেশটির সাংস্কৃতিক কূটনীতিতেও প্রতিষ্ঠানটি উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করে। আনাতোলিয়ার খ্যাতিমান কবি ইউনুস এমরের নামে প্রতিষ্ঠিত এই সংস্থা বিশ্বজুড়ে তুর্কি ভাষা, সংস্কৃতি, ইতিহাস ও শিল্পকলার প্রচারে কাজ করে।
২০০৭ সালের ৫ মে প্রতিষ্ঠিত এই ইনস্টিটিউট আন্তর্জাতিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র ও শিক্ষামূলক কর্মসূচির একটি বিস্তৃত নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছে। বিশ্বজুড়ে মানুষের কাছে তুর্কি ভাষা ও সংস্কৃতিকে পরিচিত করে তোলাই এর অন্যতম প্রধান লক্ষ্য।
প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রমের মধ্যে রয়েছে তুর্কি ভাষা শিক্ষা, সাংস্কৃতিক ও শৈল্পিক অনুষ্ঠান আয়োজন, বিদেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে তুর্কি ভাষা শিক্ষার প্রসারে সহায়তা এবং শিক্ষাগত আদান-প্রদান ও আন্তসাংস্কৃতিক বোঝাপড়া বৃদ্ধির উদ্যোগ।
ইউনুস এমরে ইনস্টিটিউট যেখানে তুর্কি ভাষা ও সংস্কৃতির প্রচারে গুরুত্ব দেয়, সেখানে আল-উম্মাহ ফাউন্ডেশনের লক্ষ্য হলো এমন একটি বহুভাষিক গণমাধ্যম প্ল্যাটফর্ম গড়ে তোলা, যার মাধ্যমে মুসলিম সম্প্রদায়ের ঐতিহ্য, বুদ্ধিবৃত্তিক অবদান ও সমসাময়িক বিষয়গুলো তুলে ধরা হবে।
দুই প্রতিষ্ঠানের কাজের ক্ষেত্রগুলো পরস্পরের পরিপূরক হতে পারে। তবে ভবিষ্যতে কোনো যৌথ উদ্যোগ গ্রহণের ক্ষেত্রে আলোচনা, পরিকল্পনা ও পারস্পরিক সমঝোতার প্রয়োজন হবে।
অধ্যাপক ইয়াসিন আকতাইয়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ
আঙ্কারা সফরে বিশিষ্ট তুর্কি শিক্ষাবিদ, লেখক ও বুদ্ধিজীবী অধ্যাপক ড. ইয়াসিন আকতাইয়ের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেন মোহাম্মদ জাকির হোসেন। গবেষণা, রাজনৈতিক চিন্তাভাবনা ও জনপরিসরের আলোচনায় অধ্যাপক আকতাইয়ের উল্লেখযোগ্য অবদান রয়েছে।
অধ্যাপক আকতাই তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়্যেব এরদোগানের প্রধান উপদেষ্টা এবং দেশটির জাস্টিস অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট পার্টির (একে পার্টি) ডেপুটি চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তুরস্কসহ বৃহত্তর মুসলিম বিশ্বের রাজনৈতিক, সামাজিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক বিভিন্ন বিষয়ে তিনি জনপরিসরের আলোচনায় অবদান রেখে চলেছেন।

তুরস্কের বিশিষ্ট পণ্ডিত, লেখক ও বুদ্ধিজীবী অধ্যাপক ড. ইয়াসিন আকতাইয়ের সঙ্গে মোহাম্মদ জাকির হোসেনের বৈঠক
বৈঠকে সমসাময়িক আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি, বাংলাদেশ ও তুরস্কের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিবেশ এবং বিভিন্ন অঞ্চলে মুসলিম সম্প্রদায়ের মুখোমুখি হওয়া চ্যালেঞ্জ নিয়ে মতবিনিময় হয়।
আলোচনায় মুসলিম বিশ্বের প্রাসঙ্গিক বিষয়গুলো নিয়ে কাজ করা পণ্ডিত, বুদ্ধিজীবী, গবেষক ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মধ্যে যোগাযোগ জোরদারের গুরুত্ব বিশেষভাবে উঠে আসে। অংশগ্রহণকারীরা আলোচনা করেন, কীভাবে তথ্যনির্ভর বিতর্ক, বুদ্ধিবৃত্তিক সহযোগিতা ও গঠনমূলক সংলাপ পারস্পরিক চ্যালেঞ্জগুলো গভীরভাবে বুঝতে সহায়তা করতে পারে।
মোহাম্মদ জাকির হোসেন অধ্যাপক আকতাইকে আল-উম্মাহ ফাউন্ডেশনের ওয়েবসাইট ও সাময়িকীর অগ্রগতি সম্পর্কে জানান। একই সঙ্গে জাতীয়, ভাষাগত ও সাংস্কৃতিক সীমানা অতিক্রম করে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের মুসলিম সম্প্রদায়কে যুক্ত করতে একটি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম প্ল্যাটফর্ম গড়ে তোলার পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন।
এর আগে বাংলাদেশ সফরের সময় অধ্যাপক আকতাই আল-উম্মাহ ফাউন্ডেশনের ওয়েবসাইট ও সাময়িকীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছিলেন। সে সময় তিনি প্রকল্পটির গুরুত্ব তুলে ধরে বক্তব্য দেন। ফলে ফাউন্ডেশনের উদ্যোগ সম্পর্কে তিনি আগে থেকেই অবগত ছিলেন।
বাংলাদেশ সফরের পর আঙ্কারায় এই সাক্ষাতে অধ্যাপক আকতাই প্ল্যাটফর্মটির অগ্রগতি সম্পর্কে আগ্রহ প্রকাশ করেন এবং এর ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে পরামর্শ দেন। আলোচনায় একটি নির্ভরযোগ্য গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার জন্য তথ্যনির্ভর বিশ্লেষণ, পেশাদার সাংবাদিকতা ও আন্তর্জাতিক বুদ্ধিবৃত্তিক অংশগ্রহণের গুরুত্ব প্রতিফলিত হয়।
ফাউন্ডেশন সূত্রে জানা যায়, বৈঠকে ধারাবাহিক যোগাযোগ বজায় রাখা এবং ভবিষ্যতে সহযোগিতার সম্ভাবনা অনুসন্ধানের বিষয়েও আলোচনা হয়েছে। এর অংশ হিসেবে পারস্পরিক সম্মতি ও উপযুক্ত পরিকল্পনার ভিত্তিতে ডিসেম্বরের শুরুতে ইস্তাম্বুলে আরেকটি বৈঠক আয়োজনের প্রস্তাব রয়েছে।
দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও জোরদারের সম্ভাবনা
আঙ্কারার এসব বৈঠক বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যে বুদ্ধিবৃত্তিক ও সাংস্কৃতিক সম্পর্ক আরও গভীর করার সম্ভাবনা তুলে ধরেছে। উভয় দেশেই বৃহৎ মুসলিম জনগোষ্ঠী রয়েছে এবং দেশ দুটির ঐতিহাসিক অভিজ্ঞতাও স্বতন্ত্র।
শিক্ষা ও গবেষণায় আদান-প্রদান, সাংস্কৃতিক কর্মসূচি, প্রকাশনা এবং পেশাদার গণমাধ্যম উদ্যোগের মাধ্যমে দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো এগিয়ে নেওয়া সম্ভব। এসব উদ্যোগের মাধ্যমে একে অপরের ইতিহাস, সমাজ ও সমসাময়িক পরিস্থিতি সম্পর্কে আরও বিস্তৃত ধারণা তৈরি হতে পারে।
বাংলাদেশের জন্য তুরস্কের পণ্ডিত ও সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ সম্প্রসারণের ফলে শিক্ষাবিষয়ক নেটওয়ার্ক বিস্তৃত করা, সাংস্কৃতিক ও ঐতিহাসিক গবেষণায় নতুন দৃষ্টিভঙ্গি যুক্ত করা এবং তরুণ প্রজন্মকে আন্তর্জাতিক আলোচনায় সম্পৃক্ত করার সুযোগ তৈরি হতে পারে।
অন্যদিকে, তুরস্কের প্রতিষ্ঠান ও বুদ্ধিজীবীদের জন্য বাংলাদেশের বিভিন্ন সংস্থার সঙ্গে সংলাপ দেশটির সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য, শিক্ষাঙ্গন, জনপরিসরের আলোচনা এবং ক্রমবিকাশমান গণমাধ্যম পরিবেশ সম্পর্কে জানার সুযোগ সৃষ্টি করতে পারে।
জ্ঞান ও ঐতিহ্যের মাধ্যমে নতুন প্রজন্মকে সম্পৃক্ত করা
আঙ্কারার আলোচনায় উঠে আসা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোর একটি ছিল তরুণ প্রজন্মকে তাদের ঐতিহাসিক, সাংস্কৃতিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক ঐতিহ্যের সঙ্গে যুক্ত করার গুরুত্ব।
বিশ্বজুড়ে মুসলিম সম্প্রদায়ের তরুণদের জন্য নির্ভরযোগ্য ঐতিহাসিক তথ্যসূত্র, শিক্ষার সুযোগ এবং তথ্যনির্ভর আলোচনার পরিবেশ তৈরি করা জরুরি। এর মাধ্যমে তারা নিজেদের সমাজকে গড়ে তোলা ঐতিহাসিক অভিজ্ঞতা ও ঐতিহ্য সম্পর্কে জানতে পারবে। পাশাপাশি সমালোচনামূলক চিন্তাভাবনা এবং সমসাময়িক সামাজিক, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সচেতন ভূমিকা পালনের সুযোগ পাবে।
আল-উম্মাহ ফাউন্ডেশন তার ওয়েবসাইট ও সাময়িকীর মাধ্যমে এ ক্ষেত্রে অবদান রাখতে চায়। একই সঙ্গে শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে যুক্ত হওয়ার সম্ভাবনাও অনুসন্ধান করছে।
ভবিষ্যতে বিশেষজ্ঞদের সাক্ষাৎকার, ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক প্রতিবেদন, গবেষকদের লেখা, শিক্ষামূলক প্রকাশনা এবং বাংলাদেশ ও তুরস্কের গবেষকদের মধ্যে জ্ঞান বিনিময়ের মতো উদ্যোগ নেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এসব এখনো সম্ভাব্য কর্মক্ষেত্র; সুনির্দিষ্ট যৌথ কর্মসূচি হিসেবে চূড়ান্ত হয়নি।
তরুণ পাঠক ও দর্শকদের প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে ফাউন্ডেশন তার আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম কার্যক্রমকে শিক্ষামূলক লক্ষ্যগুলোর সঙ্গে যুক্ত করতে চায়। এর উদ্দেশ্য হলো বিভিন্ন দেশ ও ভাষার মানুষের কাছে সাংস্কৃতিক জ্ঞান এবং তথ্যনির্ভর দৃষ্টিভঙ্গি আরও সহজলভ্য করে তোলা।
বাস্তবভিত্তিক সহযোগিতা
আঙ্কারার বৈঠকগুলো আল-উম্মাহ ফাউন্ডেশনের আন্তর্জাতিক যোগাযোগ সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। অধ্যাপক ড. সেলিম আরগুন ও অধ্যাপক ড. ইয়াসিন আকতাইয়ের সঙ্গে এসব বৈঠকে ফাউন্ডেশনের লক্ষ্য তুলে ধরা, মুসলিম সমাজকে প্রভাবিত করা বিভিন্ন বিষয়ে মতবিনিময় এবং সাংস্কৃতিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক সহযোগিতার সম্ভাব্য ক্ষেত্র অনুসন্ধানের সুযোগ তৈরি হয়েছে।
ফাউন্ডেশনের লক্ষ্য হলো এসব আলোচনাকে ধারাবাহিক যোগাযোগ, পারস্পরিক সম্মত কর্মসূচি এবং উভয় পক্ষের জন্য লাভজনক অংশীদারত্বের মাধ্যমে বাস্তব উদ্যোগে রূপ দেওয়া।
প্রস্তাবিত ইস্তাম্বুল বৈঠক এবং ইউনুস এমরে ইনস্টিটিউটের সঙ্গে ভবিষ্যৎ যোগাযোগের ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট ফলাফল অর্জনের জন্য আরও পরিকল্পনা ও পারস্পরিক সমঝোতা প্রয়োজন হবে।
ফাউন্ডেশনের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ হলো আন্তর্জাতিক যোগাযোগ সম্প্রসারণের পাশাপাশি নির্ভরযোগ্য সাংবাদিকতা, অর্থবহ বুদ্ধিবৃত্তিক আদান-প্রদান এবং পেশাদার ব্যবস্থাপনায় নিয়মিত বহুভাষিক প্রকাশনা কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়া। এসব ক্ষেত্রে ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে পারলে আল-উম্মাহ ফাউন্ডেশনের আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম উদ্যোগ আরও সুসংহত হওয়ার সুযোগ তৈরি হবে।



