তুরস্কের শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে সহযোগিতার নতুন সম্ভাবনা খুঁজছে আল-উম্মাহ ফাউন্ডেশন
লেখক:
ইস্তাম্বুলের বিশিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতিনিধিদের সঙ্গে একাধিক বৈঠক করেছেন চেয়ারম্যান জাকির হোসেন | ছবি : আল-উম্মাহ ফাউন্ডেশন
আল-উম্মাহ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ও আল-উম্মাহর প্রধান সম্পাদক মোহাম্মদ জাকির হোসেন ইস্তাম্বুলে তুরস্কের দুটি বিশিষ্ট প্রতিষ্ঠানের শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তাদের সঙ্গে একাধিক বৈঠক করেছেন। এসব বৈঠকে শিক্ষা, গবেষণা ও গণমাধ্যম ক্ষেত্রে ভবিষ্যৎ সহযোগিতার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়।
তুর্কি মারিফ ফাউন্ডেশনের ট্রাস্টি বোর্ডের ডেপুটি চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. আহমেদ এমরে বেলগিনির সঙ্গে এক বৈঠকে মোহাম্মদ জাকির হোসেন দুই প্রতিষ্ঠানের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেন। পাশাপাশি ভবিষ্যতে সম্ভাব্য অংশীদারত্বের ক্ষেত্রগুলো কীভাবে আরও বিকশিত করা যায়, তা নিয়েও মতবিনিময় হয়।
শিক্ষাক্ষেত্রে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার প্রতি সমর্থন ব্যক্ত করেন অধ্যাপক ড. বেলগিনি। তিনি সম্ভাব্য কয়েকটি যৌথ উদ্যোগের বিষয়ও তুলে ধরেন। এ সময় জ্ঞান ও দক্ষতা বিনিময় এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ক্ষেত্রে একসঙ্গে কাজ করার উপায় নিয়েও আলোচনা হয়।
তুর্কি মারিফ ফাউন্ডেশন শিক্ষা খাতে সক্রিয়ভাবে কাজ করছে। অন্যদিকে, আল-উম্মাহ ফাউন্ডেশন বাংলাদেশভিত্তিক একটি নবপ্রতিষ্ঠিত প্ল্যাটফর্ম।
অন্য একটি বৈঠকে মোহাম্মদ জাকির হোসেন ইস্তাম্বুলের সেন্টার ফর ইসলামিক স্টাডিজের (আইএসএএম-ISAM) সহ-সভাপতি অধ্যাপক ড. ইয়াশার কুলাকের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। প্রতিষ্ঠানটি তুরস্ক প্রজাতন্ত্রের ধর্মবিষয়ক প্রেসিডেন্সি (দিয়ানেত)-এর অধীনে পরিচালিত একটি গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
এই বৈঠকে গণমাধ্যম ও সংশ্লিষ্ট কার্যক্রমে ভবিষ্যৎ সহযোগিতার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়। উভয় পক্ষ একসঙ্গে কাজ করার বিভিন্ন সুযোগ নিয়ে মতবিনিময় করেন এবং ভবিষ্যতে সহযোগিতামূলক উদ্যোগ গ্রহণের আগ্রহ প্রকাশ করেন।

শিক্ষা ও গণমাধ্যমের গুরুত্বপূর্ণ খাতে কাজ করার লক্ষ্যে ইস্তাম্বুলের বিশিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতিনিধিদের সঙ্গে একাধিক বৈঠক করেছেন চেয়ারম্যান জাকির হোসেন।
মূলত বৈঠকগুলো তুর্কি প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে অংশীদারত্ব গড়ে তোলা এবং বিশেষ করে শিক্ষা, গবেষণা ও গণমাধ্যম ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক সহযোগিতার সুযোগ অন্বেষণে আল-উম্মাহ ফাউন্ডেশনের প্রচেষ্টারই প্রতিফলন।
মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাংলাদেশ ও তুরস্কের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মধ্যে গঠনমূলক প্রাতিষ্ঠানিক অংশীদারত্ব গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। একই সঙ্গে জ্ঞান বিনিময় এবং যৌথ উদ্যোগ গ্রহণের মাধ্যমে দুই দেশের প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সহযোগিতার নতুন সুযোগ তৈরির প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন।



