সৌদি ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে পরমাণু চুক্তি স্বাক্ষর, দীর্ঘমেয়াদী অংশীদারিত্বের নতুন দিগন্ত
লেখক:
মার্কিন জ্বালানিমন্ত্রী ক্রিস রাইট (বামে) এবং সৌদি জ্বালানিমন্ত্রী যুবরাজ আবদুল আজিজ বিন সালমান বেসামরিক পরমাণু চুক্তিতে স্বাক্ষর করছেন । ছবি : সংগৃহীত
সৌদি আরব এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র গত ২২ জুলাই রিয়াদে একটি চমকপ্রদ চুক্তিতে আবদ্ধ হয়েছে, যা ওয়াশিংটনের সহযোগিতায় সৌদিকে তাদের বেসামরিক পরমাণু কর্মসূচি গড়ে তোলার সুযোগ দেবে।
মার্কিন জ্বালানিমন্ত্রী ক্রিস রাইট বলেন, ‘এই চুক্তিগুলো মার্কিন-সৌদি বাণিজ্যিক সম্পর্ককে আরও জোরদার করতে, আমাদের নিজ নিজ দেশে সমৃদ্ধি আনতে এবং বিদেশে আমাদের মিত্রদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে উভয় দেশের যৌথ অঙ্গীকারের প্রতিফলন।’
মার্কিন জ্বালানি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, ক্রিস রাইট এবং সৌদি জ্বালানিমন্ত্রী যুবরাজ আবদুল আজিজ বিন সালমানের মধ্যে স্বাক্ষরিত এই চুক্তিটি মূলত একটি “বেসামরিক পরমাণু সহযোগিতা চুক্তি, যা সাধারণত ‘১২৩ চুক্তি’ নামে পরিচিত এবং এর সাথে একটি দ্বিপাক্ষিক নিরাপত্তা সুরক্ষামূলক চুক্তিও রয়েছে।”
একত্রে এই দুটি চুক্তি কয়েক দশক স্থায়ী এবং বহু বিলিয়ন ডলারের অংশীদারিত্বের আইনি ভিত্তি তৈরি করবে, যা পরমাণু অস্ত্রের বিস্তার রোধসহ বেশ কয়েকটি অগ্রাধিকারমূলক অর্থনৈতিক ও কৌশলগত লক্ষ্যকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।
এই চুক্তি এবং এর সাথে সম্পর্কিত নিরাপত্তা সুরক্ষামূলক সমঝোতাটি যৌথভাবে বহু বিলিয়ন ডলারের এই দীর্ঘমেয়াদী অংশীদারিত্বের আইনি কাঠামো প্রতিষ্ঠা করেছে।
মার্কিন জ্বালানি বিভাগ জানিয়েছে, এই চুক্তিটি সৌদি আরবের জ্বালানি চাহিদা পূরণে সহায়তা করবে, পাশাপাশি পরমাণু নিরাপত্তা, সুরক্ষা এবং অস্ত্র বিস্তার রোধের সর্বোচ্চ মানদণ্ড মেনে মার্কিন প্রতিষ্ঠানগুলোকে সৌদি আরবের পরমাণু কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের সুযোগ করে দেবে।


