শান্তি ও যুব ক্ষমতায়নে ক্রীড়ার ভূমিকার ওপর জোর ওআইসির

পড়তে ১ মিনিট

ইসলামিক সলিডারিটি স্পোর্টস অ্যাসোসিয়েশনের (আইএসএসএ) সাধারণ পরিষদের ১৫তম অধিবেশন | ছবি : সংগৃহীত

শান্তি প্রতিষ্ঠা, পারস্পরিক বোঝাপড়া বৃদ্ধি এবং যুবসমাজকে ক্ষমতায়নে ক্রীড়ার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার ওপর জোর দিয়েছে অর্গানাইজেশন অব ইসলামিক কোঅপারেশন (ওআইসি)।

শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সৌদি আরবের তায়েফ শহরে ইসলামিক সলিডারিটি স্পোর্টস অ্যাসোসিয়েশনের (আইএসএসএ) সাধারণ পরিষদের ১৫তম অধিবেশনে এ বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়। এতে আইএসএসএর সদস্য দেশগুলোর জাতীয় অলিম্পিক কমিটির প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

আইএসএসএর সভাপতি প্রিন্স আব্দুল আজিজ বিন তুর্কি আল-ফয়সালের আমন্ত্রণে সভায় অংশ নেয় ওআইসি। অধিবেশনের শুরুতে উদ্বোধনী ভাষণ দেন প্রিন্স আব্দুল আজিজ বিন তুর্কি আল-ফয়সাল। পরে ওআইসির মহাসচিব এইচ. ই. ইসমাইল ওল্ড শেখ আহমেদের বিশেষ বার্তা পড়ে শোনানো হয়।

ওআইসির মানবিক, সাংস্কৃতিক ও সামাজিক বিষয়ক সহকারী মহাসচিব রাষ্ট্রদূত ড. তারিক আলী বাখিত মহাসচিবের পক্ষে ওই বার্তা উপস্থাপন করেন।

বার্তায় ওআইসি ও আইএসএসএকে ধারাবাহিকভাবে সহযোগিতা ও সমর্থন দেওয়ায় সৌদি আরব সরকারের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়। এতে বলা হয়, ক্রীড়া এখন আর শুধু প্রতিযোগিতার মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই; এটি শান্তি, সংহতি ও পারস্পরিক বোঝাপড়ার একটি সার্বজনীন ভাষায় পরিণত হয়েছে।

বার্তায় আরও বলা হয়, ওআইসির অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার যুবসমাজকে ক্ষমতায়ন করা। এ ক্ষেত্রে ক্রীড়া একটি কার্যকর ও কৌশলগত মাধ্যম হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

সভায় ইসলামিক সলিডারিটি গেমসের মাধ্যমে মুসলিম বিশ্বের যুবসমাজকে ভ্রাতৃত্ব, সংহতি ও সুস্থ প্রতিযোগিতার চেতনায় একত্রিত করার ক্ষেত্রে আইএসএসএর অবদানের প্রশংসা করা হয়।

উল্লেখ্য, এবারের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ২০২৬ থেকে ২০২৯ মেয়াদের জন্য আইএসএসএর নতুন পরিচালনা পর্ষদ নির্বাচিত হয়েছে। ওআইসি মনে করে, নতুন পর্ষদ গঠন সংস্থাটির কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করার পাশাপাশি আগের অর্জনগুলোকে আরও এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে কাজ করবে।

নতুন পরিচালনা পর্ষদের সক্ষমতার ওপর আস্থা প্রকাশ করে ওআইসি ভবিষ্যতে আইএসএসএর সঙ্গে কৌশলগত অংশীদারিত্ব আরও জোরদার ও সম্প্রসারণের প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে।

এই নিবন্ধটি শেয়ার করুন