ইস্তাম্বুলে আন্তর্জাতিক জেরুজালেম ফাউন্ডেশনের আঞ্চলিক অফিস উদ্বোধন ও স্মরণসভা অনুষ্ঠিত

পড়তে ১ মিনিট

ইস্তাম্বুল আন্তর্জাতিক আরব বইমেলার ফাঁকে গত ২৩ আগস্ট জেরুজালেম ও আল-আকসা মসজিদের স্মরণে তুরস্কে এক বিশেষ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। তিনটি গুরুত্বপূর্ণ উপলক্ষকে সামনে রেখে এই আয়োজন করা হয়—যার মধ্যে ছিল বহুল আলোচিত ‘আই অন আল-আকসা’ প্রতিবেদনের ২০তম প্রকাশনা, তুরস্কে আন্তর্জাতিক জেরুজালেম ফাউন্ডেশনের নতুন আঞ্চলিক অফিসের উদ্বোধন এবং ১৯৬৯ সালে আল-আকসা মসজিদে সংঘটিত অগ্নিসংযোগের স্মরণ।

এই অনুষ্ঠানে আন্তর্জাতিক জেরুজালেম ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. আহমেত আগিরাকচা ঘোষণা করেন, ফাউন্ডেশনটি ইস্তাম্বুল থেকে তাদের আন্তর্জাতিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে এবং আরও বিস্তৃত করবে। বিশেষ করে জেরুজালেম-সম্পর্কিত গবেষণা, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য, জনসচেতনতা ও অ্যাডভোকেসির ক্ষেত্রে কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা হবে।

অনুষ্ঠানে ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক ইয়াসিন হামুদ, আন্তর্জাতিক মুসলিম পণ্ডিত ইউনিয়নের সভাপতি আলী মুহিউদ্দিন আল-কারাদাঘী, তুর্কি অ্যাকাডেমিক ইয়াসিন আকতাইসহ অন্যান্য পণ্ডিত ও গবেষক অংশ নেন।

আলোচনায় আল-আকসা মসজিদের বর্তমান অবস্থা, এর ঐতিহাসিক স্থিতাবস্থার প্রতি অনুভূত হুমকি এবং জেরুজালেমের ধর্মীয়, ঐতিহাসিক ও সভ্যতামূলক তাৎপর্যের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

অনুষ্ঠানটির অন্যতম সম্মানিত অতিথি—আল-উম্মাহ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান এবং আল-উম্মাহর প্রধান সম্পাদক মোহাম্মদ জাকির হোসেন—বিশিষ্ট ইসলামি চিন্তাবিদ ও লেখক শেখ এসাম আল-বশিরের হাতে ফিলিস্তিন নিয়ে লেখা একটি বইয়ের অনূদিত সংস্করণ তুলে দেন। এই উপহার প্রদানের মাধ্যমে বাংলাভাষী পাঠকদের মাঝে ফিলিস্তিন সম্পর্কিত সাহিত্য অনুবাদ ও তা ছড়িয়ে দেওয়ার গুরুত্বের বিষয়টি বিশেষভাবে ফুটে উঠেছে।

ইস্তাম্বুলে আঞ্চলিক অফিস উদ্বোধনের মাধ্যমে লেবাননের বাইরে আন্তর্জাতিক জেরুজালেম ফাউন্ডেশনের কার্যক্রম উল্লেখযোগ্যভাবে সম্প্রসারিত হলো। এর ফলে জেরুজালেম ও ফিলিস্তিনবিষয়ক গবেষণা, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য, শিক্ষা ও সচেতনতার ক্ষেত্রে বৃহত্তর আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতার একটি প্ল্যাটফর্ম তৈরি হবে।


এই অনুষ্ঠানটি জেরুজালেম বিষয়ে একাডেমিক, সাংস্কৃতিক ও প্রাতিষ্ঠানিক সম্পৃক্ততাকে আরও সুদৃঢ় করার পাশাপাশি এর ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণের গুরুত্বও তুলে ধরেছে।


এই নিবন্ধটি শেয়ার করুন